ছাইপাঁশ ময়ূরাক্ষী
CHHAIPASH MAYURAKHSHI লেখক : অমৃতা ভট্টাচার্য পৃষ্ঠা : ১২৮ অমৃতা ভট্টাচার্যর এই অনন্য ত্রয়ী, দীর্ঘ কবিতা, কাব্যনাট্য, কাব্য উপন্যাস, বাংলা সাহিত্যের চলতি পথে কসমিক বিস্ফোরণ। এখানে প্রশ্নে- পরিপ্রশ্নে মেতে ওঠে চরিত্রের দল। যে কাব্যে এতদিন লাজুক কুণ্ঠায় লুকিয়েছিল তলপেটের তলে মণ্ড হয়ে অতলের সব চ্যুতি, সম্ভোগের সব দ্যুতি, সেইসব আরণ্যক আদিম ছিটকে বেরিয়ে এল নিহিত লাভার মতো কল্লোলিত কাহিনির পরতে পরতে। রবীন্দ্রনাথের 'রক্তকরবী' অমৃতার ক্রমিক কল্পনায় খোলস ছাড়ল নব বিনির্মাণে, নতুন বিততিতে। এক রঞ্জিত রসায়নে রাজাই রঞ্জন সেজে পালটায় স্বাদ। আর নন্দিনী হয়ে ওঠে এক নিভৃত অভাবের প্রমত্ত প্রতীক যে চিৎকার করে বলে, তার প্রয়োজন অপূর্ণকে। অমৃতার কাব্য আমাদের নিয়ে যায় অনিবার্য টানে কড়ি ও কোমল-এর মধ্যবর্তী কোনো অচিন্তনীয় বিলম্বিত লয়ে, যেখানে বিবিক্ত আমরা বুঝতে পারি, বেঁচে থাকা বিপন্নতা ছাড়া সম্ভব নয়। অমৃতার 'ইমন ও কিছু জীবনশৈলী কথা' গুঁড়িয়ে দিল কবিতার চেনা রীতিনীতি। তছনছ করল কাব্যের ধ্রুপদি ব্যাকরণ। অমৃতা অভিনব নির্মাণে মেশালেন দিনলিপি, নাট্যসংলাপ, স্বগতোক্তি। এবং কলম থেকে অবলীলায় ঝরালেন দৈবকথা: দাবীই ছিল, মানতে হবে আদম আসল মালিক আমার/ ঈশ্বর তার পরের ধাপে, স্বর্গ তো নয়, যৌথ খামার। এই কবিই পৌঁছোতে পারেন দানবিক সততার এই উচ্চারণে: নিজের কাম-তৃষ্ণা বলেছি নির্ভয়ে/ দাবী ও সংঘাতে নিজের অধিকার/তুমিই বাল্মীকি ভয়ের পিছু নিলে/ আমার নাক কেটে সমাজ শিক্ষার। অমৃতার ছাইপাঁশ ময়ূরাক্ষী এই ভাবে হয়ে উঠেছে বাংলা কবিতার আনকোরা সরণিফলক। দূর থেকেও ঝলমলে। আকার : 21 (h)× 23 (w)×2.5 (d)
Variants (1)
- Default Title — 500.00 INR — In stock
AI Readiness
Good foundation, but some important product data is still missing.