Kolkatar Ghat Parikrama
উত্তরে কাশীপুর থেকে দক্ষিণে হেস্টিংস পর্যন্ত ভাগিরথির ধারাকে কলকাতার গঙ্গা বলে। হুগলি নদী বলা হয়েছিল বন্দরের কারণে। হুগলি নদীর জন্যে কলকাতায় বাণিজ্যকেন্দ্র গড়ে ওঠার ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে জাহাজগুলো গঙ্গা বেয়ে ভেতরে ঢুকে আসত। বাণিজ্যের বাড়বাড়ন্তের কারণে শুল্কের জন্যে ডক ও বাষ্পীয় জাহাজের জন্যে জেটি তৈরি হয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর ইতিহাস খুঁজলে দেখা যায় কলকাতা শহরের পথঘাটের সঙ্গে হুগলির তীরে ঘাটগুলোও নির্মিত হয়েছিল। আপজনের ম্যাপ (১৭৯৪খ্রিঃ) অনুসরণ করে প্রাচীন ঘাটের নামগুলো পাওয়া গেছে। অন্যান্য সূত্র থেকে মিলেছে কিছু ঘাটের নাম। গঙ্গার সৌন্দর্যায়নের উদ্যোগ ব্রিটিশদের থেকে বাঙালিদের মধ্যেও সঞ্চারিত হয়েছিল বোঝা যায়। তাই মানুষের সুযোগ সুবিধার জন্যে ঘাটগুলো গড়ে উঠতে থাকে। যদিও ভাগিরথির মূল স্রোতের ঘাটগুলোর অনেকগুলো ভেঙে গেছে। আদিগঙ্গায় কালীঘাট বা টালাঘাটের মতো নানা উল্লেখযোগ্য ঘাট থাকলেও হুগলির পাড়ের অঞ্চলগুলোর কথাই আলোচনায় বেশি উঠে আসে। স্বাধীনতার পরে গঙ্গার দুদিকের ঘাট রক্ষণাবেক্ষণ করে পোর্ট কমিশন। আজও সেখানে দেখা যায় বিভিন্ন বয়স ও পরিবেশ থেকে মানুষ আসে। তাই ভাবা যায় সাড়ে তিনশো বছর ধরে ঘাটগুলো উল্লেখযোগ্য থেকে গেছে কলকাতার ইতিহাসে।
Specifications
- Author
- Baidurrya Sarkar
AI Readiness
Good foundation, but some important product data is still missing.