রথী ঠাকুরের শনির দশা
RATHI THAKURER SHANIR DASHA লেখকঃ রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় নিরাবার, অন্তারিত, অনিরুদ্ধ এক উপন্যাস 'রণী ঠাকুরের শনির দশ্যা। রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও দুর্বার দুঃসাহসে, পা ফেললেন এক দুশ্চয় ত্রিভুজে। যেখানে থমকাবেন রবীন্দ্রচর্চায় দীপিত দেবতারা। এই তোয়াক্কাহীন ত্রিভুজের শিখরে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। অন্য দুই কোণে রবীন্দ্র-পুত্র রথীন্দ্র এরং রবীন্দ্র-বউমা প্রতিমা। প্রতিমা আবার ঠাকুরবাড়িরই। মেয়ে যে বালিকা বিধবা হয়ে ঠাকুরবাড়িতেই ফিরে এসেছে। এবং রবীন্দ্রনাথের চোখের সামনে হয়ে উঠছে চোখধাঁধানো সুন্দরী। আমেরিকা থেকে চাষবাস শিখে ফিরে আসা পুত্র রথীর সঙ্গে সুদর্শনা অথচ তেমন লেখাপড়া না জানা প্রতিমার বিয়ে দিচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ, এমন সুন্দরীকে পেয়ে রথীর জীবন ধন্য হবে, এই প্রত্যয়ে। তারপর রথী চাষবাস, ট্র্যাক্টর, মাঠঘাট, ভবিষ্যতের স্বপ্ন এবং প্রিয়দর্শিনী প্রতিমার সঙ্গে ঘর বাঁধছেন, ঠিক যেমনটি হয় রূপকথায়। রবীন্দ্রনাথ দূর থেকে দেখেন সেই রূপকথা আর ভাবেন, তাঁর নিজের জীবনে এত সুন্দরী বউ নিয়ে তো ঘটেনি এমন রূপকাহিনি। কিন্তু খটকা লাগে তাঁর। প্রতিমাকে শিক্ষাদীক্ষায় রথীর যোগ্য তো করে তুলতে হবে। সংসার, স্বপ্ন আর সেই রূপকথা থেকে ছেলে আর বউমাকে উপড়ে তুলে আনেন রবীন্দ্রনাথ, প্রতিমাকে নিজের মনের মতো করে গড়ে তোলার দায়িত্ব তুলে নেন নিজের হাতে। আর রথীকে দেন বিশ্বভারতী থেকে নিজের যাবতীয় খেয়ালিপনার দায়িত্ব। ক্রমশ হিমালয়ের মতো প্রবল প্রসারিত রবীন্দ্রপ্রতিভা আচ্ছন্ন করে ফেলে প্রতিমাকে। বাড়তে থাকে রথীর সঙ্গে প্রতিমার দূরত্ব। নিঃসঙ্গ অভিমানী রথীর জীবনে ঘনিয়ে আসে মীরা। মীরা বিশ্বভারতীর এক অধ্যাপকের স্ত্রী। রথীন্দ্র যা করেন প্রতিমাকে লুকিয়ে করেন না। গভীর বিশ্বাসে উচ্চারণ করেন, আমার তো মীরু আছে। তারপর? রঞ্জনের অনবদ্য বাংলায় পড়ুন সেই রোম্যান্টিক দহনের বাস্তবকথা। আকার: 21 (h)× 14.5 (w)× 1.5 (d)
Variants (1)
- Default Title — 300.00 INR — In stock
AI Readiness
Good foundation, but some important product data is still missing.